চেয়ারম্যান

অধ্যাপক মমতাজ বেগম এডভোকেট
চেয়ারম্যান, জাতীয় মহিলা সংস্থা
বাবা                : মৃত: জনাব, আব্দুল গনি ভূঁইয়া
মাতা               : মৃত: জাহানারা  খানম
স্বামীঃ              : সেইস রেজাউর রহমান এডভোকেট, সুপ্রিম কোর্ট, বাংলাদেশ
                       •    মুক্তিযোদ্ধা
                       •    চেয়ারম্যান/সদস্য, নির্বাহী কমিটি, বাংলাদেশ বার কাউন্সিল
                       •    প্রসিকিউটর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল
                       •    প্রধান, ধানমণ্ডি ল কলেজ

                       •    সিন্ডিকেট মেম্বার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

ঠিকানাঃ            : ৪২, নর্থ রোড, ধানমণ্ডি, ঢাকা-১২০৫
জন্ম                 : এপ্রিল ১৩, ১৯৪৬
জাতীয়তা           : বাংলাদেশী
ধর্ম                  : ইসলাম (সুন্নি)
সন্তান-সন্ততি        : এক মেয়ে,  ২ ছেলে
শিক্ষাগত যোগ্যতা : এম. এ.  (দর্শন), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
                        এল. এল. বি., ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
পেশা                : শিক্ষকতা, অবসরপ্রাপ্ত ভাইস প্রিন্সিপাল, টিচার্স ট্রেনিং কলেজ।
                        বর্তমানে ঢাকা হাইকোর্টে আইন চর্চার সাথে জড়িত
অন্যান্য যোগ্যতা  : 

                       - বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধের বীর মুক্তিযোদ্ধা
                       - সমাজসেবী, ভাইস প্রেসিডেন্ট, বাংলাদেশ মহিলা সমিতি
                       - চেয়ারম্যান, জাতীয় মহিলা সংস্থা, ঢাকা
                       - ভাইস প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশ মহিলা মুক্তিযোদ্ধা
রাজনৈতিক কর্মজীবন:

                       - সহ-সভাপতি,  কুমিল্লা মহিলা কলেজ ছাত্র কেবিনেট (১৯৬৫-৬৬)
                       - সদস্য, প্রধান নির্বাহী কমিটি, পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগ (১৯৬৮-৬৯)
                       - সদস্য, তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান জাতীয় গণপরিষদ (১৯৭১)
                       - সদস্য, সাংবিধানিক গণপরিষদ ১৯৭২
                       - সাবেক সংসদ  সদস্য, বাংলাদেশ, ১৯৭৩
                       - সাবেক সদস্য, নারী পুনর্বাসন বোর্ড, ১৯৭২
                       - সাবেক সদস্য, জি . এস.  বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগ- ১৯৭৪
                       - সাবেক সদস্য, বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ (মহিলা  ফ্রন্ট-১৯৭৫)
                       - সাবেক সহ-আহবায়ক,বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগ- ১৯৭৮
                       - সাবেক সমাজকল্যাণ সম্পাদক, জাতীয় আইনজীবী এ্যাসোসিয়েশন
                       - সাবেক সাধারন সম্পাদক, বি. সি. এস. শিক্ষক এ্যাসোসিয়েশন
                       - আঞ্চলিক সভাপতি, A.C.W.W.

   
তাঁর পারিবারিক ঐতিহ্যের সাথে রাজনীতি জড়িয়ে আছে। তিনি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে অংশগ্রহণের মাধ্যমে রাজনৈতিক জীবন শুরু করেন। ১৯৬২ সালে তিনি সক্রিয়ভাবে “হামিদুর রহমান শিক্ষা কমিশন” বাতিলকরণ আন্দোলন, ৬ দফা এবং ১১ দফা আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেন। ১৯৬৯ সালের গণ-অভুথ্যানে অংশ নেন এবং তিনি  জনগণকে উদ্বুদ্ধ করেন যা পরবর্তীতে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধেরই নেতৃত্ব দেয়। এরপর ১৯৭১ সালে তিনি ভারতে যান, সেখানে তিনি সামরিক প্রশিক্ষণ নেন। তারপর ফিরে এসে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর হাত থেকে নিজের মাতৃভূমিকে স্বাধীন করার লক্ষ্যে  যুদ্ধ করেন।   
১৯৭২ সালে  যুদ্ধাহত নারীদের পুনর্বাসনের জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে  বিচারপতি কে এম সোবহান এর সভাপতিত্ত্বে  নারী পুনর্বাসন বোর্ড প্রতিষ্ঠিত হয়। মমতাজ বেগম ছিলেন পরিচালনা বোর্ডের সদস্য। তিনি একই সাথে কসবা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এবং কসবা নারী পুনর্বাসন বোর্ডের প্রতিষ্ঠাতাও ছিলেন।
১৯৭২ সালে তিনি বিভিন্ন সামাজিক সংস্থা যেমন বাংলাদেশ মহিলা সমিতি, তিনি লিগ্যাল এইড কমিটির( আইনী  সহায়তা কমিটির) চেয়ারম্যান ছিলেন। বাংলাদেশের সুবিধা গ্রামীণ সুবিধা বঞ্চিত নারীদের অধিকার রক্ষায় তিনি নিজেকে উৎসর্গ করেছেন।
                       - তিনি মুক্তিযোদ্ধা মেমোরিয়াল ট্রাস্ট এবং মুক্তিযোদ্ধা ঐক্য পরিষদের সদস্য।
                       - তিনি বাংলাদেশ পরিবার পরিকল্পনা সমিতির আজীবন সদস্য
                       - তিনি বাংলাদেশ রেড ক্রস সোসাইটি এর আজীবন সদস্য
                       - আজীবন সদস্য- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্টার্ড গ্র্যাজুয়েট ও অ্যালামনাই এসোসিয়েশন এর সদস্য।

ভ্রমনঃ     

                      ১। ১৯৭২ সালে তিনি তৎকালীন অর্থমন্ত্রী শহীদ তাজউদ্দীন আহমেদ এর সাথে রাষ্ট্রীয় অতিথি হিসেবে ভারতে প্রজাতন্ত্র দিবস উদযাপযনে অংশগ্রহণ করেন।
                      ২। ১৯৭৩  সালে তিনি অষ্টেলিয়ার  রাজধানী সিডনি তে  “Australian International Council of Women”-  শীর্ষক আঞ্চলিক সভায় যোগদান করেন, এবং তিনি সিঙ্গাপুর ভ্রমণ করেন।
                      ৩। ১৯৭৪ সালে তিনি বুলগেরিয়ার সফিয়ায় অনুষ্ঠিত “বিশ্ব শান্তি সম্মেলন” এ অংশগ্রহণ করেন, এবং একই সময় তিনি রাশিয়াও ভ্রমণ করেন।
                      ৪। ১৯৯৭ সালে তিনি ইরাক, ফিলিস্তিন এবং সৌদি- আরব ভ্রমণ করেন।
                      ৫। প্রধান মন্ত্রীর নেতৃত্তে প্রতিনিধি দলের পক্ষ থেকে তিনি ১৯৯৯ সালে নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত সিলভার জুবিলি বাংলাদেশে অংশগ্রহন করেন।
                      ৬। ১৯৯৯ সালে নিউইয়র্কে  জাতিসংঘের ৫২তম বার্ষিক ডিপিআই/ এনজিও সম্মেলন এবং ৩১শে আইএডাব্লিউ ট্রেইনাল কংগ্রেস এ অংশগ্রহন করেন।
                      ৭। ২০০১ সালে হ্যামিল্টন অন্টারিও, কানাডায় ২৩ তম ট্রেইনাল সম্মেলন এছিছিডাব্লিউ তে অংশগ্রহন করেন।
                      ৮। থাইল্যান্ড, ইরাক, ইংলান্ড ভ্রমন করেন। ২০০২ সালে পবিত্র হজ্জ পালন করেন।
অর্পিত সম্মাননা : মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে-
                      ১) বাংলাদেশ মহিলা সমিতি এর পক্ষ থেকে।
                      ২) নারী প্রগতি সংস্থা
                      ৩) নেভাল কমান্ডো এসোসিয়েশন
                      ৪) নারী কণ্ঠ
                      ৫) ডেসটিনি-২০০০ কে লিঃ

    বর্তমানে তিনি নারী ও শিশু মন্ত্রানালয়ের অধীন জাতীয় মহিলা সংস্থা গ্রামীণ বাংলাদেশ এবং মহিলা ও শিশু মন্ত্রানালয়ের চেয়ারম্যান হিসেবে কর্তব্য রত আছেন যা বাংলাদেশ সরকারের এখতিয়ারাধীন।
    ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষে তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তির মাধ্যমে নারীদের ক্ষমতায় প্রকল্পে “তথ্য আপা” নামে একটি নতুন প্রকল্প চালু করেছেন যা একটি সাহসী পদক্ষেপ।
    তিনি জাতীয় লিগ্যাল এইড কমিটির সদস্য। আইন মন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ এবং সম্মানীত স্বরাষ্ট মন্ত্রী উকিল সাহারা খাতুন ও এ বোর্ডের সদস্য। তাদের নেতৃত্তে জাতীয় এসিড নিয়ন্ত্রন কাউন্সিল গঠিত হয়েছে।